প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে ছড়ানো উক্তি ও ছবি ভুয়া | চ্যানেল আই অনলাইন

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার নামে ছড়ানো উক্তি ও ছবি ভুয়া | চ্যানেল আই অনলাইন

ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, বিমানবন্দরে যখন নিজের পরিচয় দিলাম তখন উলটো আমার সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করে। পিছন থেকে এক পুলিশ বলে উঠে ‘ইয়ে নশেইড়ি ক্যায়সে উপদেষ্টা বান গয়া’? এছাড়া ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ ডা. জাহেদকে হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে, এমন একটি ছবিও ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু উক্তির সত্যতা যাচাই ও বিভিন্ন এআই সাইট সূত্রে জানা গেছে ওই উক্তি ও ছবিটি ভুয়া।

ফ্যাক্টচেক সংস্থা দ্য ডিসেন্ট এবং চ্যানেল আই অনলাইন ডেস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উক্তি ও ছবিটি বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা পেজ এবং পরবর্তীতে সাধারণ বহুজন শেয়ার করেছেন।

দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা যায়, ডা. জাহেদ উর রহমানের নামে প্রচারিত এই মন্তব্যটি ভুয়া। ভারতীয় পুলিশের কোনো সদস্য তাকে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বলেননি এবং তিনিও এমন কোনো মন্তব্য করেননি। এ ব্যাপারে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, (এটি) নিশ্চয়ই ভুয়া। হিন্দি ভাষা আমি জানিই না, বুঝিই না।

ভাইরাল হওয়া ছবিটি এআই চেকিং টুলস ওয়াজইটএআই ও জিরো-জিপিটি সাহায্যে পরীক্ষা করে তা ‘ভুয়া’ বলেও জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ডা. জাহেদ উর রহমান দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখানে দায়িত্বরতরা তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাকে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে হয়রানি করেন। পরবর্তীতে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেয় এবং এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে। তবে এ ঘটনার প্রতিবাদে তিনি আর ভারতে প্রবেশ না করার সিদ্ধান্ত নেন এবং অন্য একটি ফ্লাইটে দেশের পথে রওয়ানা হন।

দিল্লি বিমানবন্দরে তার হয়রানির শিকার হওয়ার এই সংবাদটি সত্য হলেও, উক্ত ঘটনার সুযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বানোয়াট উক্তি ও ছবি তৈরি করে তার নামে প্রচার করা হচ্ছে।

Scroll to Top