খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম: আগেই বলেছি, উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হলে পণ্য রপ্তানিতে ভর্তুকি রাখা যাবে না। ব্যবসায়ী নেতা ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো বেশ আগে থেকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত। অনেক আলাপ-আলোচনাও হয়েছে। আমাদের দেশে এসব সিদ্ধান্ত আয়োজন করে নিতে গেলে বিভিন্ন দিক থেকে চাপ আসে। তাতে বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়। তবে প্রণোদনা যেভাবে ধাপে ধাপে কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাতে ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতির সময় পাবেন। ফলে ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে সহমত প্রকাশ করা দরকার।
প্রণোদনা কমানোর কারণে ব্যবসায়ীদের লোকসান হবে না। কারণ, প্রণোদনার মাধ্যমে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হতো। অন্যদিকে প্রণোদনা পাওয়ার জন্যও একটি চক্র গড়ে উঠেছিল। পণ্যের দামের সঙ্গে এটি যুক্ত হতো বলে আমাদের মনে হয় না। একধরনের মধ্যস্বত্বভোগী তৈরি হয়েছিল। প্রকৃত ব্যবসায়ীরা পুরো সুবিধাটা পেতেন না।
এখন ব্যবসায়ীদের উৎপাদনব্যবস্থায় অপচয় হ্রাস, ব্যয় সাশ্রয় ও দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, পণ্য ও বাজার বৈচিত্র্য এবং বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে বিনিয়োগ বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এতে ব্যবসায়ীরা পণ্যে আগের দামই বিদেশি ক্রেতাদের অফার করতে পারবেন। এত দিন ক্রেতারা এই প্রণোদনার অজুহাতে পণ্যের দাম কম দিত। তাই সামনের দিনগুলোতে দর–কষাকষিতে কৌশলী হওয়ার সুযোগ থাকবে।




