পেটিএম অর্থ লেনদেন করতে পারবে না, ভারতজুড়ে অনিশ্চয়তা

পেটিএম অর্থ লেনদেন করতে পারবে না, ভারতজুড়ে অনিশ্চয়তা

ফোনপের একজন মুখপাত্র ইকোনমিক টাইমসকে বলেছেন, আর্থিক হিসাব বদল করতে চান, এমন মার্চেন্টের সংখ্যা বেড়েছে। অন্যদিকে জিপে (গুগল পে) একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাঁরা মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী নানা রকম সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন, তবে কোনো মার্চেন্টকেই আলাদা কোনো সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।

১ ফেব্রুয়ারি পেটিএমের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ভবেশ গুপ্তা পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের জানিয়েছেন, কমবেশি চার কোটি মার্চেন্টকে তাদের হিসাব অন্য ব্যাংকে সরিয়ে নিতে হবে এবং এ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় দিল্লির একটি বিপণিবিতানের দোকানিরা জানিয়েছেন, গত শুক্রবার পেটিএমের প্রতিনিধিরা তাঁদের কাছে এসেছিলেন। ফটোকপির দোকানের মালিক সুশান্ত জানান, সকালে একজন এসে বললেন, ‘আমাদের হিসাব বন্ধ হয়ে যাবে, তাই আমি এটি আমার এসবিআই (স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া) হিসাবে বদলি করে নিয়েছি।’

তবে অনেকেই এখন ডিজিটাল লেনদেনব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন। পেটিএমের প্রতিদ্বন্দ্বীরাও একই সমস্যায় পড়েন কি না, সে নিয়েও অনেকে উদ্বিগ্ন। এর কারণ হলো, খুচরা বিক্রেতারাও এখন অনলাইন লেনদেন পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন।

কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডারস দেড় লাখের মতো খুচরা ও ছোট ব্যবসাকে প্রতিনিধিত্ব করে।

এর জাতীয় সম্পাদক প্রাভীন খান্ডেওয়াল বলেন, এমনকি সবজিওয়ালাও এখন ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, ঠিক কী বিধিবিধান পরিপালন হয়নি বলে রিজার্ভ ব্যাংক এত বড় একটি পদক্ষেপ নিল, সেই বিষয়ে তথ্য কম। আমরা কি এখন এমন অ্যাপ ব্যবহার করব, যেগুলো ইউপিআই এবং ওয়ালেট সেবা দিচ্ছে? বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় কি এগুলো বেশি নির্ভরযোগ্য?

Scroll to Top