পা হারিয়েও থামেননি, রাবির সাবেক শিক্ষার্থী সুজন এখন স্টেশনমাস্টার

পা হারিয়েও থামেননি, রাবির সাবেক শিক্ষার্থী সুজন এখন স্টেশনমাস্টার

শুরুর দিকে কেউ কেউ তাঁর শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে কিছুটা সন্দিহান হলেও কাজে কোনো ছাড় দেননি সুজন। দিনরাত দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা আর একাগ্রতা দেখে যোগদানের মাত্র পাঁচ-ছয় মাসের মাথায় ব্যস্ত পীরগঞ্জ স্টেশনের দায়িত্ব তাঁর ওপর ন্যস্ত করে কর্তৃপক্ষ। চার বছর পর ২০২৩ সালে পান পদোন্নতি; পূর্ণাঙ্গ স্টেশনমাস্টার হিসেবে দায়িত্ব নেন একই স্টেশনের। এখন সেই সুজন সময়মতো ট্রেনস্টেশন পরিচালনা, শত শত যাত্রীর নিরাপত্তা আর টিকিট ও ক্যাশের সঠিক হিসাব সবকিছুই সামলাচ্ছেন পুরোদমে। নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতার জন্য রেলওয়ের কাছ থেকে বাড়তি কোনো বিশেষ সুবিধার প্রত্যাশাও করেন না। তবে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সুজন বলেন, ‘তাঁরা আমার প্রতি ভরসা করে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করি।’ নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে রেলস্টেশনে আসা-যাওয়া করেন তিনি।

স্টেশনমাস্টার মো. সোহরাব হোসেন সুজন বলেন, ‘সমাজে কে কী বলল, তাতে কান দিলে চলা যায় না। লক্ষ্য যদি স্থির থাকে আর মনে আত্মবিশ্বাস থাকে, তবে কোনো শারীরিক প্রতিবন্ধকতাই মানুষকে আটকে রাখতে পারে না।’

Scroll to Top