আচরণবিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য ভোটের মাঠে কাজ করছেন কমবেশি ৮০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ ছাড়া প্রতিটি আসনে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে আছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কোনো অভিযোগ তদন্ত করে তিন দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রতিবেদন দেবে। এর ভিত্তিতে কমিশন ব্যবস্থা নেবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কমিশন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা দলকে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করতে পারে বা প্রার্থিতা বাতিল করতে পারে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার সুযোগ আছে।
এবারের নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে জরিমানা করা হয়েছে। কারও কারও বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আবার সংঘাতে জড়িত থাকায় প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে।
সর্বশেষ গতকাল আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় কুমিল্লা-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আ ক ম বাহাউদ্দিনকে ১ লাখ টাকা এবং বরগুনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ইসি।
২৩ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তাঁরা কিছু তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছেন। কোনো না কোনো জায়গায় প্রার্থিতা বাতিল হবে, এইটুকু আভাস তিনি দিয়ে রাখছেন।
অবশ্য তেমন কোনো কঠোর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
[প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা]





