নির্বাচনে সাজানো ও আত্মঘাতীমূলক প্রতিযোগিতা হচ্ছে

নির্বাচনে সাজানো ও আত্মঘাতীমূলক প্রতিযোগিতা হচ্ছে

সংবাদ সম্মেলনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ও পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসা ছিল বেশি। মূলত চারটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন তাঁরা। এগুলো হচ্ছে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকারের বিষয়টি নির্বাচনী ইশতেহারে কতটা এসেছে, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সংজ্ঞা, বৈষম্যের সঙ্গে গণতান্ত্রিক জবাবদিহির সম্পর্ক ও নির্বাচনের পর পরিস্থিতি কী হতে পারে?

নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচনে সম্ভাব্য সব দল বা প্রার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি, এটা তো পরিষ্কার। তার জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র তৈরি করা হয়নি। এতে মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত হচ্ছে না। এসব পরিপ্রেক্ষিতে একটা ঝুঁকি তৈরি হয়। যাঁরা এমন একচ্ছত্র ভুবন তৈরি করছেন, তাঁরাও জানেন, এতে অগণতান্ত্রিক শক্তির বিকাশ ঘটে। এটা কেউ চায় না। এটা সব নাগরিকের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই দায়ও সবার নিতে হবে।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামা থেকে প্রার্থীর আয় ও সম্পদ সম্পর্কে জানার একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, দেশবাসী জানতে পারছে, তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছে। বাস্তবে যদি ক্ষমতা যথাযথ প্রয়োগে ইসির সৎ সাহস থাকত, তাহলে তথ্য গোপন করার অভিযোগে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হতো। তা তো হচ্ছে না। তবে দুদক চাইলে স্বপ্রণোদিত হয়ে সম্পদের উৎস তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারে।

Scroll to Top