থানা-পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেহেদী হাসান উপজেলার সফিপুর বাজার এলাকায় একটি বাড়িতে সপরিবারে ভাড়া থাকেন। গতকাল তাঁর বাড়িতে কেউ না থাকায় দায়িত্ব পালন শেষে রাত ১০টার দিকে বাজারের ইমা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খেতে যান। এ সময় তিনি ইউনিফর্ম পড়া ছিলেন না। রাতের খাবারের জন্য তাঁর সামনে রুটি, ডাল ও হালিম পরিবেশন করা হয়। ডাল ও হালিম থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় তিনি সেগুলো ফেরত দেন। খাবার শেষে ক্যাশ কাউন্টারে থাকা হোটেলমালিকের ছেলে অলিউল্লাহ ওরফে শান্ত হালিম ও ডালের জন্য তাঁর কাছে বিল দাবি করেন। এ নিয়ে দুজনের কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অলিউল্লাহ কাচের গ্লাসের কিছু অংশ ভেঙে মেহেদী হাসানের মুখে আঘাত করেন। এ সময়ে হোটেলের কর্মচারীরাও তাঁকে মারধর শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সফিপুর এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেন। পরে তাঁকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানার পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে হোটেলমালিকের জামাতা সাইফুল্লাহ সুমন, কর্মচারী মমিনুল ইসলাম, শাফায়াত হোসেন, আবদুল রাজ্জাক, জাহিদ হোসেন ও রাকিবকে গ্রেপ্তার করে। তবে ঘটনার মূল অভিযুক্ত অলিউল্লাহ পালিয়ে গেছেন।



