
ছবি: সংগৃহীত
আইফোন বিক্রি ও সেবা খাতের আয় বাড়ায় চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রেকর্ড রাজস্ব আয় করেছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। কোম্পানিটির আয় বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ও মেমোরি চিপের ব্যয় বাড়ায় আগামী প্রান্তিকে মুনাফার হার কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে টিম কুকের কাছ থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বড় আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেন জন টার্নাস। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত আমাদের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী পণ্যসম্ভার নিয়ে বছর শেষ করতে যাচ্ছি।’
আসন্ন ছুটির মৌসুমে নতুন পণ্য বাজারে আনার বিষয়ে আশাবাদী অ্যাপল। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন। নতুন পণ্যগুলোর বিক্রি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছে কোম্পানিটি।
অ্যাপলের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কেভান পারেখ জানান, মেমোরি চিপের দাম বৃদ্ধি এবং সিরি এআই সম্প্রসারণের খরচের কারণে মোট মুনাফার হার কমতে পারে। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এ হার ছিল ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ। আগামী প্রান্তিকে তা ৪৫ থেকে ৪৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
তবে এআই খাতে বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি নাকচ করে পারেখ বলেন, ‘আমরা মনে করি, এআই গ্রাহকদের নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পেতে নতুন ডিভাইস কেনা বা পুরোনো ডিভাইস পরিবর্তনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা তৈরি করবে।’
সেপ্টেম্বরে আইফোন ১৮ প্রো, ১৮ প্রো ম্যাক্স ও ভাঁজযোগ্য ডুয়ো বাজারে আনার পর অক্টোবরে সিরি এআই-চালিত স্মার্ট ডিসপ্লে হোমভিউ এবং টাচস্ক্রিন ম্যাকবুক প্রো উন্মোচন করে অ্যাপল।
প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক্রোসফট, অ্যালফাবেট, অ্যামাজন ও মেটা এআই অবকাঠামোতে শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করলেও অ্যাপলের মূলধনি ব্যয় ধরা হয়েছে মাত্র ১১ বিলিয়ন ডলার। নিজস্ব বিনিয়োগ তুলনামূলক কম রেখেও গুগলের জেমিনি মডেলের ওপর ভিত্তি করে সিরি পুনর্নির্মাণের মতো কৌশল নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে ২০২৪ সাল থেকে অ্যাপল পণ্যে যুক্ত থাকা চ্যাটজিপিটির উদ্ভাবক ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক গোপন তথ্য চুরির অভিযোগে গত জুলাইয়ে মামলা করেছে অ্যাপল।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…




