এর আগে ১০ অক্টোবর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্স খুলে টাকা গণনা করা হয়। সেদিন পাওয়া গিয়েছিল ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা। পরদিন রোববার ওই টাকা লালন একাডেমির ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়। গতকালের টাকাও একই হিসাবে জমা করা হয়েছে।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, লালন সাঁইয়ের দুটি উৎসবকে ঘিরে বছরে চারবার দানবাক্স খোলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৩৬তম তিরোধান দিবসের সাত দিন পর দানবাক্স খোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লালনের তিরোধান দিবস ও দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে প্রতিবছর ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে নানা আয়োজন হয়। এসব অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো ফকির, সাধু, ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। সারা বছরই ভক্তরা মাজার দর্শনে এসে দানবাক্সে অর্থ দেন।




