দুর্নীতি প্রসঙ্গে এশলিম্যান বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সেবা পেতে দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে শতভাগ কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অথচ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, জ্বালানিসহ বেশ কিছু খাতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই বাড়ানোর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে সম্ভাবনার চেয়ে বিদেশি বিনিয়োগ অনেক কম। দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সেবা কাগজবিহীন করার পরামর্শ দেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, এশিয়ার মধ্যে ইউএসএআইডির সবচেয়ে বেশি কর্মসূচি রয়েছে বাংলাদেশে। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে অনুষ্ঠানের মূল বক্তা ইউএসএআইডির মিশন পরিচালক বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে এ দেশের বেসরকারি খাতকে তাঁরা সহযোগিতা করতে চান। তিনি জানান, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বেসরকারি খাতকে সহযোগিতার জন্য বছরে তাঁদের ২০ কোটি ডলারের বাজেট রয়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন ধরনের মানবিক সহায়তায় বছরে ১৪ কোটি ডলার খরচ করে সংস্থাটি।




