উজ্জ্বল ত্বক আর সুস্বাস্থ্যের জন্য শামুকের শ্লেষ্মা অনেক আগে থেকেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রাচীন সময়ে গ্রিকরা ক্ষতের চিকিৎসায় ত্বকে শামুকের স্লাইম (বিশেষ ধরনের মিউকাস) ব্যবহার করত। ১৯৮০-এর দশকে চিলির শামুকচাষিরা হাতের ত্বক নরম রাখার পাশাপাশি ক্ষতের চিকিৎসায় ব্যবহার করত শামুকের স্লাইম। তখন থেকেই দক্ষিণ আমেরিকায় শামুকের জনপ্রিয়তা শুরু হয়।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, শামুকের শ্লেষ্মায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর তাই মানুষের শরীরের ক্ষতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বন্ধ করতে শামুকের শ্লেষ্মা কার্যকর। বাণিজ্যিকভাবে জনপ্রিয় অনেক অ্যান্টিবায়োটিকের তুলনায় শামুকের শ্লেষ্মায় বেশি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শামুকের শ্লেষ্মায় ক্যানসার প্রতিরোধক্ষমতাও রয়েছে। এরই মধ্যে গবেষণাগারে মানুষের ত্বকের ক্যানসার কোষের বৃদ্ধিকে বাধা দিতে সফলও হয়েছে শামুকের শ্লেষ্মা।



