জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, ‘অপহরণের বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি, কেউ অভিযোগ করেননি। তবু পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।’
গত ১২ মাসে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০৭ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫৭ জন স্থানীয় বাসিন্দা, বাকিরা রোহিঙ্গা নাগরিক। অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৪৭ জন মুক্তিপণ আদায় করে ছাড়া পেয়েছেন বলে ভুক্তভোগীদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে।



