ভেনিজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের কারণে চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিং যেন তাদের পাশ্ববর্তী দেশ তাইওয়ানে আক্রমণ না করে—এমন প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমি তাকে (শি জিনপিং) কে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, তিনি যদি এমন কিছু করেন তাহলে আমি ‘‘খুবই অসন্তুষ্ট’’ হব। আমি মনে করি না তিনি সেটা করবেন। আমি আশা করি তিনি সেটা করবেন না।”
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, যদি চীনের নেতা শি জিনপিং সামরিক শক্তি ব্যবহার করে স্বশাসিত দ্বীপটি দখল করতে যান, তাহলে তিনি “খুবই অসন্তুষ্ট” হবেন।
ট্রাম্প এ ধরনের ইঙ্গিতও নাকচ করে দেন যে, মার্কিন সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনা চীনের জন্য তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে বলপ্রয়োগে “পুনরেকত্রীকরণের” কোনো নজির হতে পারে—যা শি জিনপিং বারবার করার হুমকি দিয়ে আসছেন।
গত বুধবার নিইউয়র্ক টাইমসকে ট্রাম্প বলেন, “তিনি (শি জিনপিং) এটিকে চীনের অংশ বলে মনে করেন, আর তিনি কী করবেন—তা তার সিদ্ধান্তের বিষয়।”
ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংয়ের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি এই দুটি পরিস্থিতিকে এক মনে করেন না, কারণ তার মতে তাইওয়ান চীনের জন্য তেমন কোনো হুমকি নয়, যে ধরনের হুমকি মাদুরোর সরকার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সৃষ্টি করেছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের বিশ্বাসের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আমার প্রেসিডেন্সির মেয়াদ ২০২৯ সালের শুরুতে শেষ হবে। শি জিনপিং তাইওয়ানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেবেন না।
টাইমসকে তিনি বলেন, শি আমাদের পর অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট এলে হয়তো এটা করতে পারেন, কিন্তু আমি প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় তিনি এটা করবেন বলে মনে করি না।”
প্রসঙ্গত; গত বছরের ডিসেম্বরে বেইজিং তাইওয়ানকে ঘিরে যুদ্ধ মহড়া চালায়। বিশ্লেষকদের মতে, এই মহড়াগুলো নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ ও আক্রমণের প্রস্তুতির মধ্যকার সীমারেখা ঝাপসা করে দিয়েছে। এই কৌশলের লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে খুব কম সময়ের সতর্কতা দেওয়া।





