ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক হাসিনা খান প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়মে অভিযোগ ওঠার পর ইউজিসির পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটিও করা হয়েছে। কিন্তু ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে না। তবে অতিরিক্ত নিয়োগ ও অপ্রয়োজনে পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষেত্রে বাজেট দেওয়া হচ্ছে না।
সিন্ডিকেট সূত্র বলছে, কর্মকর্তা-কর্মচারী পদে নিয়োগ পাওয়াদের মধ্যে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী আছেন অন্তত ২০ জন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সাবেক সহসভাপতি সায়ন দাশ গুপ্ত, তামজিদ কামরান, শরীফ উদ্দিন মো. আল আমিন, আমিনুল ইসলাম, আবুল কাশেম, আলতাব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ একরাম, উপসম্পাদক শাহরিয়ার ইমন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়া, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহফুজ আহমেদ, সাবেক তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, সাবেক উপ নাট্য ও বিতর্কবিষয়ক সম্পাদক অনুপম রুদ্র, সাবেক সদস্য মো. পারভেজ, শোয়াইবুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি সবুজ মিয়া।





