ঢাকা, ১৬ জানুয়ারি – ব্যাটিং আর বোলিং—দুই দিকেই দারুণ শুরু করেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ৫ উইকেটে হেরে বিপিএল থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে প্রথমবার অংশ নেওয়া নোয়াখালী ফ্র্যাঞ্চাইজির।
শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে নোয়াখালী মাত্র ১২৬ রান তুলতে পারে। সেই রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। মাত্র ২৯ রানের মধ্যেই নোয়াখালী তুলে নেয় তাদের ৪ উইকেট। ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই কোনো রান না করেই মাহমুদুল হাসান জয়কে ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ।
এরপর সদ্য দলে যোগ দেওয়া পাকিস্তানি ব্যাটার মোহাম্মদ হারিসও বেশি দূর যেতে পারেননি। তিনি ৭ রান করে আউট হন। দলীয় ১১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় চট্টগ্রাম, যেখানে উইকেটটি নেন আরেক পাকিস্তানি ইহসানউল্লাহ। ইহসানের বোলিংয়ে আবারও বিপদে পড়ে রয়্যালস। মাহফিজুল ইসলাম কোনো রান না করেই ফিরলে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম।
দলীয় ২৯ রানে সাব্বির হোসেন ফিরিয়ে দেন নাইম শেখকে, যিনি ৭ বলে ১৮ রান করেছিলেন। এতে চতুর্থ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়ে চট্টগ্রাম। তখন নোয়াখালীর জয়ের স্বপ্ন জেগে ওঠে, সঙ্গে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার সম্ভাবনাও।
তবে এরপর ৪০ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে চাপ সামাল দেন হাসান নওয়াজ ও অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। দলীয় ৬৯ রানে জহির খানের বলে ১১ রান করা হাসান নওয়াজ আউট হন। তখনও ৫ উইকেট পড়ে যায় চট্টগ্রামের।
এরপর দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচটা শেষ করে আনেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। তিনি ৩৬ বলে ৪৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। তাঁর সঙ্গে আসিফ আলীও দৃঢ়ভাবে খেলেন। আসিফ ৩০ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। এই দুজনের ৫৭ রানের জুটিতে ৫ উইকেটের জয় পায় চট্টগ্রাম, আর নিশ্চিত হয় নোয়াখালীর বিদায়।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে শরিফুল ইসলামের তোপের মুখে পড়ে নোয়াখালী ১২৫ রানেই অলআউট হয়ে যায়। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নেন শরিফুল। তিনি মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫টি উইকেট শিকার করেন। শেখ মেহেদী নেন ৩টি উইকেট, আর আমের জামাল পান ১টি। নোয়াখালীর পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন হাসান ইশাখিল। জাকের আলী করেন ২৩ রান এবং সাব্বির হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান।
এনএন/ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬





