ইস্পাত খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান বিএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাস–সংকট তীব্র হওয়ার পর রড তৈরির মধ্যবর্তী কাঁচামাল বিলেট কারখানাগুলো চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখন রড তৈরির রোলিং মিলে বিকল্প জ্বালানি তেল ব্যবহার করে উৎপাদন সচল রাখা হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
ইস্পাতের মতো সিমেন্টশিল্পেও গ্যাস–সংকটে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সিমেন্টশিল্পে মূলত গ্যাস জেনারেটর চালু রাখতে গ্যাস দরকার। এ ছাড়া কাঁচামাল স্ল্যাগ শুকানোর জন্য গ্যাসের দরকার। রডের মতো বড় অংশীদারি না থাকলেও চট্টগ্রামে বর্তমানে নয়টি সিমেন্ট কারখানা চালু রয়েছে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার ইছানগর এলাকায় ডায়মন্ড সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিমেন্ট প্রস্তুতকারক সমিতির দ্বিতীয় সহসভাপতি আবদুল খালেক পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাস–সংকটে গ্যাস জেনারেটর দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে খরচ বেড়েছে।
গ্যাস–সংকটের প্রভাব পড়েছে কাচশিল্পেও। চট্টগ্রামে দুটি কাচ কারখানার মধ্যে সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ডে পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানা সচল রয়েছে। পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাস–সংকটে চুল্লি চালু রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গ্যাসের চাপ কম থাকলে পণ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।




