সৌদি আরব এবং ওমানের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। শুধু বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে ইসরায়েলের।
গাজায় ইসরায়েলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ নভেম্বর আরব–ইসলামিক সম্মেলনের আয়োজন করে সৌদি আরব। এতে আরব লিগের ২২টি দেশ ও ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ৫৭টি দেশ অংশ নেয়।
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নিষ্ঠুর হামলার নিন্দা জানান আরব ও মুসলিম দেশগুলোর নেতারা। একই সঙ্গে তাঁরা গাজায় দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। কিন্তু ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনো অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি তাঁরা।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কূটনৈতিক সূত্রমতে, ওই বৈঠকে ইরান, সিরিয়া, লেবানন, আলজেরিয়াসহ কয়েকটি দেশ ইসরায়েল ও তার মিত্রদেশগুলোতে তেল রপ্তানি বন্ধ করার প্রস্তাব করেছিল। এ ছাড়া আরব লিগভুক্ত দেশগুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রস্তাব দেয় তারা।
শুধু লিবিয়া এই আহ্বানে সাড়া দেয়। দেশটির কাউন্সিল অব স্টেট ইসরায়েল ও তার মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়। পাশাপাশি এসব দেশে তেল সরবরাহ না করার হুমকিও দেয় লিবিয়া।




