এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
দিনাজপুর-৩ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলটির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের বিষয়ে সব কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
সেই সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও এই আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির অমৃত কুমার রায়ের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম এ সিদ্ধান্ত জানান। যাচাই-বাছাইয়ের শুরুতে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ও শোক প্রকাশ করেন। এরপর তার মৃত্যুজনিত কারণে মনোনয়নপত্রটির আইনি কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
সিদ্ধান্তে জানানো হয়, বিএনপির বিকল্প প্রার্থী হিসেবে সাবেক পৌর মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তার দাখিল করা হলফনামা ও নথিপত্রে কোনো অসংগতি না থাকায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সুযোগ পাচ্ছেন।
সিদ্ধান্তে আরও বলা হয়, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও এ আসনে আরও সাতজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন- জামায়াতে ইসলামীর মো. মাইনুল আলম, জাতীয় পার্টির আহমেদ শফি রুবেল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রেজাউল করিম, জনতার দলের মো. রবিউল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাইরুজ্জামান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের কিবরিয়া হোসেন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের লায়লা তুল রীমা। তাদের দাখিল করা নথিপত্র সঠিক থাকায় তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সবুজ সংকেত পেয়েছেন।
নির্বাচনে বৈধতা উল্লেখ করে বলেন, একই সঙ্গে বাংলাদেশর কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী অমৃত কুমার রায়ের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির বিগত নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাতার স্বাক্ষরিত চিঠি যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু সেটি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বৈধ নয়। সে কারণে বর্তমান মনোনয়নদাতার স্বাক্ষরিত চিঠি না থাকায় তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।
দিনাজপুর সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৩ আসনটি বেগম খালেদা জিয়ার বড় বোন প্রয়াত খুরশীদ হাজান হক চকলেট আপার হাত ধরে আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন পর নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথম বারের মত বেগম খালেদা জিয়ার নাম ঘোষণার পর থেকে এ আসনে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছিল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও প্রার্থী এবং প্রার্থীদের অবর্তমানে তাদের প্রতিনিধিরা।




