কৃষক নেতা সারওয়ান সিং পান্ধের বলেন, সরকারি প্রস্তাব তাঁরা বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের কাছে রাখবেন। তাঁদের অভিমত দুদিন পর সরকারকে জানাবেন। মন্ত্রীদের তিনি বলেন, অন্যান দাবি কত দ্রুত মানা হবে, সরকার যেন তা নির্দিষ্ট করে জানায়। তত দিন পর্যন্ত কৃষকেরা পাঞ্জাব–হরিয়ানা সীমান্তে অবস্থান করবেন।
কৃষক নেতারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এ কথাও বলেছেন, দাবি মানা না হলে দিল্লি অভিযান অনিবার্য হয়ে দাঁড়াবে। সে ক্ষেত্রে সরকার যেন তাঁদের যাত্রাপথে বাধা সৃষ্টি না করে।
ধান, গমসহ অন্য ফসলের এমএসপির আইনি বৈধতা ছাড়াও কৃষক নেতারা চান, স্বামীনাথম কমিশনের সব সুপারিশ কার্যকর করা হোক। কৃষক ও কৃষি কর্মীদের পেনশনের ব্যবস্থা ও কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও পুরোনো। আন্দোলনে হতাহত কৃষকদের ক্ষতিপূরণও এতদিন দেওয়া হয়নি, তা মেটানোর দাবিতেও কৃষকেরা আন্দোলন করছেন।




