বাংলাদেশ এর প্রতিবাদ জানিয়েছিল। কোচিং স্টাফরা ম্যাচ কমিশনারের কাছে শিরোপা নির্ধারণে টসের নিয়ম সাফে আছে কি না, সে সম্পর্কেই জানতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে ছিলেন অনড়। তবে প্রতিবাদ জানানোর পরও বাংলাদেশের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার কেন টসে অংশ নিয়েছিলেন? এ নিয়ে একটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
প্রশ্ন উঠছে, টসের পর ভারত জিতে যাওয়ার পরই কেন বাংলাদেশ প্রতিবাদে ফেটে পড়ল? বাংলাদেশ দলের একজন কোচিং স্টাফ প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমরা ওই সময় টসের প্রতিবাদ জানাচ্ছিলাম। আমরা ম্যাচ কমিশনারের কাছে টসের নিয়মসংক্রান্ত আইনটা জানতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু এর মধ্যেই আফঈদাকে তিনি টসে ডেকে নেন। আফঈদা ভেবেছিল, টসটি বোধ হয় সাডেন ডেথ আবার শুরু করার জন্য হচ্ছে। পুরো ব্যাপারটিই ঘটে যায় খুব দ্রুত। ম্যাচ কমিশনার তাড়াহুড়া করছিলেন।’
ভারতীয় দল স্বাভাবিকভাবেই টসে জিতে শিরোপার জয়ের আনন্দে মেতেছিল। তাদের উৎসব-উচ্ছ্বাসের মধ্যেই ম্যাচ কমিশনার নিজের ভুল বুঝতে পেরে সেটি শোধরাতে চেয়েছিলেন। ভারতের শিরোপা জয় ‘বাতিল’ করে আবারও সাডেন ডেথ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। চমৎকার একটি ম্যাচ পরিণত হয়েছে বিতর্কিত এক ম্যাচে। গ্যালারি অশান্ত হয়েছে, আয়োজকেরা অপ্রস্তুত হয়েছে। অথচ এই ম্যাচটি ৯৩ মিনিটে সাগরিকার দুর্দান্ত এক সমতাসূচক গোলের জন্যই স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারত।




