আত্মসচেতনতা বাড়াতে: যখন অতিরিক্ত আবেগ দিয়ে কিছু ভাবা হয়, তখন মনের কষ্টগুলো দ্রুত বেরিয়ে আসতে চায়। একাকী কান্নাকাটি করার পর নিজের আবেগগুলোর পেছনের কারণ মনের পর্দায় দৃশ্যমান হয়। কষ্ট পাওয়ার কারণগুলো নিয়ে তখন মানুষ বিস্তারিত ভাবে। কার্যকলাপ নিয়ে গভীর চিন্তার পর সচেতন হয়ে ওঠে। এতে মানসিক অবস্থার উন্নতি হয়, বাড়ে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা।
ব্যক্তিগত নিস্তার: সারা দিনের ক্লান্তি-হতাশার পর হয়তো একাকী কেঁদে উঠলেন। কাউকে কাছে না পেলে তখন নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতে থাকেন। এটি কিন্তু আপনার জন্যই ভালো। জীবন নিয়ে এ সময় আপনার একান্ত উপলব্ধিগুলোর অগ্রগতিতে বিশেষভাবে কাজে লাগে। কাঁদার পর একান্তে ভারমুক্ত হয়ে ভালো একটা ঘুম দিন। আগের দিনের ভুলগুলো শুধরে নতুন উদ্যমে আরেকটি দিন শুরু করুন। নিজেকে নতুন মনে হবে।
ভালো ঘুমের কারণ: গবেষণার তথ্য বলছে, যেসব শিশুরা দিনের বেলায় অনেক কাঁদে, তাদের রাতে ঘুম ভালো হয়। বড়দের ক্ষেত্রেও তা–ই। হতাশা, ক্লান্তি ও বিষণ্নতায় নিজেকে চেপে না রেখে, মাঝেমধ্যে কাঁদলে ভালো হরমোন নিঃসৃত হয়। এতে ঘুমও ভালো হয়।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট




