মঞ্চে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর পথচলা ২৫ বছরের। এই সময়ে তিনি একাধিকবার আরণ্যকের হয়ে দেশ–বিদেশে নাট্যোৎসবে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে চঞ্চলের কাছে এবারের দিনগুলো স্মরণীয়। ‘রাঢ়াঙ’ দিয়েই এই প্রাপ্তি।
চঞ্চল বলেন, ‘এবার যে শোগুলো করেছি, সেখানে প্রতিটি শো আলাদা অভিজ্ঞতা দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে দলগুলো এখানে এলেই শো হাউসফুল হয়। কিন্তু এবার রাঢ়াঙ নিয়ে দর্শকদের যে উচ্ছ্বাস, সেটা দেশের দর্শকদের মধ্যেও দেখিনি। শত শত মানুষ রাস্তায় লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। ১৫ দিন আগে টিকিট শেষ। আমার টোটাল লাইফে থিয়েটার নিয়ে এমন উন্মাদনা দেখিনি। এই শক্তিকে কীভাবে আমরা কাজে লাগাতে পারি, সেটাই ভাবছিলাম।’ চঞ্চল মনে করেন, বাংলাদেশের দর্শকদের এভাবে মঞ্চমুখী করা দরকার। তাহলে ঠিকমতো মঞ্চনাটক বেঁচে থাকবে। আর মঞ্চনাটক বেঁচে থাকলে অভিনয়শিল্পী তৈরি হবে। তখনই মিডিয়া শক্ত হবে। তিনি বলেন, ‘অভিনয়শিল্পী তৈরির জন্য আমাদের থিয়েটারটা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।’





