ম্যাচটা নকআউটের। তবে ফ্রান্সের সামনে সুইডেন অসহায় ছিল রীতিমত। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে তাদের ৩-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে শেষ ১৬-র টিকিট পেল হট ফেভারিট ফরাসিরা। শেষ ষোলতে তাদের প্রতিপক্ষ জার্মানিকে বিদায় করা প্যারাগুয়ে।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ বত্রিশের ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতেছে দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ীরা। বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে শেষ হওয়া ম্যাচে তাদের অন্য গোলদাতা ব্রাডলে বার্কোলা। গোল না পেলেও ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন মাইকেল ওলিসে। বদলি হয়ে এমবাপ্পে-ওলিসে মাঠ ছাড়ার সময় তাই দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানিয়েছেন প্রায় ৮০ হাজার দর্শক।
ব্যবধান হতে পারত আরও অনেক বড়। প্রথমার্ধে এমবাপে ও মাইকেল ওলিসের একটি করে শট লাগে পোস্টে। এছাড়া সুইডিশ গোলরক্ষক সেভ করেন ৯টি।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা পাঁচ ম্যাচে অন্তত তিনটি করে গোল করার কীর্তি গড়ল ফরাসিরা।
ম্যাচ জুড়ে ফ্রান্সের একচেটিয়া দাপটের প্রমাণ মেলে অন্যান্য পরিসংখ্যানেও। ৬১ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য মোট ২৫টি শট নেয় তারা, যার ১২টি ছিল লক্ষ্যে। সুইডেনের আট শটের তিনটি লক্ষ্যে ছিল।
গ্রুপ পর্বে প্রথম দুই ম্যাচে দুটি করে গোল করেছিলেন এমবাপে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে জালের দেখা না পেলেও দুটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। নকআউটের শুরুতে আবার জোড়া গোল করে যথারীতি ফের রেকর্ড বইয়ে নাম লেখান ২৭ বছর বয়সী তারকা।
দুই ব্রাজিলিয়ান লেওনিদাস (৮) ও রোনালদোকে (৮) ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন তিনি (১০)। মিরোস্লাভ ক্লোসাকে (১৬) ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলস্কোরার তিনি এখন এককভাবে (১৮)। একটি গোল বেশি নিয়ে চূড়ায় লিওনেল মেসি (১৯)।
চলতি আসরে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় অবশ্য মেসির পাশে বসেছেন এমবাপে, দুজনেরই ৬টি করে।




