নির্বাচনে বিএনপির লোকজনেরও সমর্থন পাচ্ছেন দাবি করে সেলিম ওসমান বলেন, ‘বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান (মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ওরফে মুকুল সাহেব) উনি এখানে আজ আসতে চেয়েছিলেন। আমি বলেছি, না তোমার আসার দরকার নাই। তুমি পেছনে থেকেই কাজ কর। তিনি বললেন, “না আমি আসবই”। আমি বলেছি ৭ তারিখের পর এসে গরু জবাই করে, আনন্দ হবে। কিন্তু ভোট দেব না, অংশ নেব না—এমন পরিস্থিতি যাতে না হয়, সে জন্য দায়িত্ব নিতে হবে। বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে আজ এখানে তিনজন এসেছেন। ২২ নং ওয়ার্ড থেকে সুলতান আহমদ, ২১ নং ওয়ার্ড থেকে হান্নান, ২০ নং ওয়ার্ড থেকে গোলাম নবী মুরাদ। আমরা জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ চিনি না। আমরা একসঙ্গে বন্দরবাসীর জন্য কাজ করব।’
একটা সিল দিলেন, একটা দেশদ্রোহীকে হত্যা করলেন: সেলিম ওসমান





