উত্থান-পতনের পর নতুন বিনিয়োগ

উত্থান-পতনের পর নতুন বিনিয়োগ

আমদানি তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই দশক আগে অর্থাৎ ২০০৩ সালের মধ্যে ভোজ্যতেলের ব্যবসা থেকে ছিটকে পড়ে খুরাসানি অয়েল রিফাইনারি, হকস ফুড অ্যান্ড এডিবল অয়েল রিফাইনারি, আল নুর এডিবল অয়েলস, আফছার অয়েল অ্যান্ড ভেজিটেবল, হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস ও জয়া ভেজিটবেল অয়েলের মতো রিফাইনারি। ২০০৬–০৭ দুই বছরে আবুল খায়ের এডিবল অয়েল, আলহাজ্ব অয়েল মিল, কেএসএ অয়েল রিফাইনারি, এম কে রিফাইনারি, আরএম অয়েল রিফাইনারি, এমএস রিফাইনারিসহ আটটি প্রতিষ্ঠান ছিটকে পড়ে। এরপর এ তালিকায় যুক্ত হয় এনজিএস গ্রুপের উত্তম অয়েল মিল ও খাতুনগঞ্জের ইয়াকুব অয়েল রিফাইনারি।

উদ্যোক্তারা জানান, প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরেই মূলত এসব পরিশোধন কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আবার ভোজ্যতেলের মতো অস্থিতিশীল বাজার থেকে নিজেদের গুটিয়েও নিয়েছে অনেকে। আবুল খায়ের গ্রুপ এ ক্ষেত্রে বড় উদাহরণ। নব্বইয়ের দশকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের বালাগামওয়ালা ভেজিটবেল অয়েল প্রোডাক্টস কারখানা দিয়ে ভোজ্যতেলে হাতেখড়ি হয় গ্রুপটির। তবে ২০০৫ সালের পর এই ব্যবসা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয় তারা।

Scroll to Top