তবে ইরানের কর্মকর্তারা এ-ও জানেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ওপর চাপ তত বাড়ছে। বিদেশি প্রতিপক্ষের সামনে দুর্বল হওয়ার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে তুলেছে বিরোধীরা। ফলে এখন তাঁকে রাজনৈতিকভাবে কিছু একটা করতে হবে।
ভাটাঙ্কার ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের তথাকথিত ‘প্রতিরোধ অক্ষের’ বিরুদ্ধে আরও হামলা চালাবে। এই হামলার মধ্য দিয়ে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট বার্তা দেবে, উত্তেজনা বেড়ে আরও বড় আকার ধারণ করলে তার পরিণতি সামলাতে পারবে না তেহরান।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা টমাস ওয়ারিক বলেন, এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কোনো ভালো বিকল্প নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আটলান্টিক কাউন্সিলের এই জ্যেষ্ঠ ফেলো মনে করেন, ‘প্রক্সিদের’ ওপর হামলায় ইরান নিরস্ত্র হবে না। আবার ইরাকে পূর্ণমাত্রার হামলা সে দেশ থেকে মার্কিন সেনা চলে যাওয়ার সমর্থনকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে তেহরানকে একটি কৌশলগত বিজয় এনে দিতে পারে।



