ইমামের চোট নিয়ে তদন্ত, রিজওয়ানের সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায়

লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে পাওয়া চোটই এখন কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে পাকিস্তানের ব্যাটার ইমাম-উল-হকের জন্য। কাফ ইনজুরি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে এবার বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপারের দাবি, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ইমামকে এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

ঘটনার সূত্রপাত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে। ম্যাচের প্রথম দিন ফিল্ডিং করার সময় বাঁ পায়ের কাফে লো-গ্রেড স্ট্রেন ধরা পড়ে ইমামের। চোটের কারণে পরদিন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসেও আর মাঠে নামেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার।

তবে ইমামের চোট নিয়ে পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের ক্রিকেটাঙ্গনে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জিও সুপার। তদন্তের পরই পরিষ্কার হবে, ইমামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো ভিত্তি আছে কি না।

দ্বিতীয় টেস্টে ইমামের অনুপস্থিতির সময় পাকিস্তানের ব্যাটিং ছিল চরম ব্যর্থ। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের ২৯০ রানের জবাবে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। পরে ইংল্যান্ড ৩৮৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিলে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস থামে ১৯৪ রানে। ফলে ম্যাচ হারের পাশাপাশি সিরিজও হাতছাড়া করে সফরকারীরা।

এদিকে ইমামের সঙ্গে এবার আলোচনায় এসেছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের নামও। জিও সুপারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উইকেটকিপার-ব্যাটারের কিছু শৃঙ্খলাজনিত বিষয় নিয়েও কঠোর অবস্থানে রয়েছে পিসিবি। এ নিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রিজওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

শুধু জিজ্ঞাসাবাদেই বিষয়টি থেমে থাকবে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জিও সুপারের দাবি, নিকট ভবিষ্যতে পাকিস্তানের কোনো স্কোয়াডে রিজওয়ানের জায়গা পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে এ বিষয়ে পিসিবির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্টের আগে পাকিস্তানের দলে বড় পরিবর্তন আনা হয়। সেই সময় ইমাম ও রিজওয়ানসহ সাত জনকে স্কোয়াড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপরই দুজনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

Scroll to Top