ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের ঘরে ফেরায় দূর্ভোগ

ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের ঘরে ফেরায় দূর্ভোগ

গাজীপুরের টঙ্গী তুরাগ তীরে ৫৭ তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত শেষে এবার নিজ গন্তব্যে ছুটছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। তবে ইজতেমা শেষ করে ঘরে ফিরতে গিয়ে দূর্ভগে পড়েছেন মুসল্লিরা।

সরেজমিনে দেখা যায় পরিবহনের খোঁজে পায়ে হাটছেন হাজারো মানুষ। অনেকেই আবার পিকাপ, ট্রাক, বাসসহ যে যানবাহনে সুযোগ পাচ্ছেন সেটিতেই উঠছেন।

রোববার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯ টায় টঙ্গী তুরাগ তীরের ১৬০ একরের ময়দানে ৫০ লাখ মুসল্লির আগমনে ইজতেমার আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইল মারকাজের তাবলিগ জামায়াতের শুরা সদস্য মাওলানা মো. জোবায়ের হাসান। আরবি, উর্দু ও বাংলা মিলিয়ে তিনি ২২ মিনিটে মোনাজাত শেষ করেন।

এদিকে মোনাজাত শেষ হওয়ার সাথে সাথেই ইজতেমায় আগত মুসল্লিরা নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েন। ঢাকা ময়মনসিংহ সড়ক, সিলেট সড়ক, নৌপথসহ টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনে লাখ লাখ মুসল্লির উপচে পড়ে ভিড় জমে। এতে দেখা দেয় পরিবহন সঙ্কট। এসময় ছোট বড় যে যানবাহণ সড়কে চলাচলরত অবস্থায় ছিলে তাতেই জড়সড় হয়ে উঠেন মুসল্লিরা।

যে যানবাহনে সুযোগ পাচ্ছেন সেটিতেই উঠছেন মুসল্লিরা।

 

জামালপুর থেকে আসা আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা ৩০ জনের একটা দল এসেছিলাম। ইজতেমা শেষ করে এখন বাড়ি ফিরব কিন্তু কোন গাড়ি পাচ্ছি না। কখন পাবো তাও জানিনা।

পাবনা থেকে আসা হোসাইন মোহাম্মদ ও জামাল উদ্দিন বলেন, ইজতেমা শেষ করেই দৌড়ে এসেছি সড়কে। এসে দেখি মানুষ আর মানুষ কোন গাড়ি নাই। যা আছে তাও আশপাশের এলাকা পর্যন্ত যাচ্ছে। এখন অপেক্ষা করছি গাড়ির জন্য।

এদিকে গাজীপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে মোনাজাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিরা অনেকেই বিভিন্ন যানবাহনের ভাড়া নিয়ে এসেছেন।

যাত্রীর ঢল নেমেছে রেল স্টেশনে।

 

এছাড়াও স্থানীয় পরিবহন গুলোতে উঠে গন্তব্যে ফিরছেন। তবে যাত্রীর ঢল নামায় এ পথে চলাচলরত যানবাহনে ভাড়া তিনগুণ হয়েছে বলে অভিযোগ মুসল্লিদের।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহাবুব আলম জানান, সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তিনটি সড়কে ইজতেমার গাড়ি ছাড়া বাকি যানবাহন বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়াও আমাদের ট্রাফিক বিভাগ কাজ করছেন।

Scroll to Top