
ঢাকা, ১৮ এপ্রিল – বিকল্প শ্রমবাজারের সন্ধানে ইউরোপের সাতটি দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই দেশগুলো হলো সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল এবং রাশিয়া।
শনিবার বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কবরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমীন এই তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের গত দুই মাসে নেওয়া উল্লেখযোগ্য ৬০টি পদক্ষেপের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র উল্লেখ করেন যে, বিদেশে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে দক্ষ এবং আধা দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। অভিবাসনের গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশজুড়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে বহুভাষা শিক্ষা ও বিশেষ দক্ষতা উন্নয়নমূলক কারিকুলাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সম্মেলনে আরও জানানো হয় যে, উত্তরবঙ্গকে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া ফ্রিল্যান্সারদের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী পে-পালসহ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বাংলাদেশে চালুর কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা ড. মাহদী আমীন আশা প্রকাশ করেন যে, এসব পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান খাতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। তিনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য থাকা ৯ হাজার ধর্মীয় ও অন্যান্য পদের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ উন্মুক্ত করা এবং প্রতিটি উপজেলায় ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় যে, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা আবারও শুরু হয়েছে যেখানে প্রথমবারের মতো ক্রীড়া ও কোরআন তিলাওয়াত যুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করতে স্মার্ট ক্লাসরুম ও কারিগরি কোর্স চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এনএন/ ১৮ এপ্রিল ২০২৬






