২০১২ সালের পর আর্থিক খাতে যুক্ত হয়েছে নতুন ১৩টি ব্যাংক। এগুলো হলো মধুমতি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, বেঙ্গল ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংক। আর্থিক প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে তিনটি, এগুলো হলো অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স, মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স ও স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্স।
এর বাইরে এ সময়ে এই খাতে যুক্ত হয়েছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা ১৩টি প্রতিষ্ঠান। আর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে দুটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংকের। তাতে পুরো খাতের আকারও বেশ বেড়েছে।
২০১৪-১৫ অর্থবছর শেষে ব্যাংক খাতে আমানত ছিল ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ও ঋণ ছিল ৫ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মী ছিলেন ৬ হাজার ৬৭ জন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকে আমানত বেড়ে হয়েছে ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা। আর ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৭২ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছর শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মীর সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৬০ জনে।


