
জুরিখ, ৯ জুলাই – চলমান বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ওঠা বিতর্কের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। শেষ ষোলোর ওই ম্যাচে ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেটেক্সিয়েরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশরের কোচ ও খেলোয়াড়রা সরাসরি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিলেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কোলিনা এই বিষয়ে সংস্থার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
ম্যাচটিতে এক পর্যায়ে মিশর ২-০ গোলে এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা। মিশরের একটি গোল বাতিল এবং সম্ভাব্য ফাউল নাকচ করা নিয়ে কোচ হোসাম হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে কোলিনা জানান, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও রেফারিদের সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব খাটান না। রেফারিরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে এবং সততার সঙ্গে তাদের কাজ পরিচালনা করেন।
ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে কোলিনা বলেন, রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা ফুটবলেরই অংশ। তবে ভিত্তিহীন অভিযোগ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি আরও জানান, প্রতিটি গোলের পর ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর আক্রমণের পুরো পর্যায়টি সুক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করে। আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের নির্দিষ্ট উদাহরণ দিয়ে কোলিনা ব্যাখ্যা করেন, মিশরের মারোয়ান আত্তিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্টিনেজের পায়ের ওপর পা রেখেছিলেন, যা স্পষ্ট ফাউল ছিল। ভিএআর এই ফাউলটি শনাক্ত করায় গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, মোহামেদ সালাহ ও হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যকার সংঘর্ষকে স্বাভাবিক ফুটবলীয় ঘটনা হিসেবেই গণ্য করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে টুর্নামেন্টের রেফারিং নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এই অভিজ্ঞ কর্মকর্তা।
এনএন/ ৯ জুলাই ২০২৬







