লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে আটকাবে কারা, এ নিয়েই চলছে আলোচনা। অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের আগেই শুরু হয়ে গেছে কথার লড়াই। সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন জানালেন, আর্জেন্টিনাকে অজেয় ভাবছেন না তারা।
২০০৬ থেকেবিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই খেলছে তারা। কিন্তু প্রতিবারই সুইজারল্যান্ডের দৌড় থেমে যাচ্ছিল প্রথম বা দ্বিতীয় রাউন্ডে। অবশেষে বারবার আটকে যাওয়া সেই গেরো খুলেছে সুইজারল্যান্ড।
শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল লাতিনের শক্তিশালী দেশ কলম্বিয়া। ভ্যাংকুভারে ১২০ মিনিট পর্যন্ত কলম্বিয়াকে আটকে দিয়েছে তারা। ম্যাচে বেশি সুযোগ এসেছিল হামেস রদ্রিগেসদের সামনেই। তবুও গোলের দেখা পায়নি তারা।
নাটকীয় টাইব্রেকারে লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়াকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে উল্লাসে মাতে তারা।এই জয়ে নকআউটের শেষ আটে পৌঁছানোর দীর্ঘ অপেক্ষা কাটল সুইসদের। ১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম শেষ আটের মুখ দেখল সুইজারল্যান্ড। ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে তারা।
কোয়ার্টারে সুইসরা পাচ্ছে আরেক লাতিন দেশ আর্জেন্টিনাকে। গ্রুপ পর্ব থেকে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন মেসি।মাঠে নেমে করছেন একের পর এক রেকর্ড। ইতিহাস গড়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে দারুণভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে লিওনেল স্কালোনির দল।
যে আর্জেন্টিনাকে কেউই হারাতে পারছে না, তাদেরই হারানোর প্রত্যয় কোচ ইয়াকিনের, ‘বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলাটা আমাদের দলের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা হবে।এটি একটি অনন্য সুযোগ। তবে এটা মনে রাখতে হবে যে আর্জেন্টিনা অপরাজেয় নয়। অবশ্যই আমরা এই ম্যাচে তাদের হারানোর চেষ্টা করব।’
ইয়াকিন আরও জানান, লাতিন দেশগুলোর মানসিকতা জানা আছে তার, ‘আমরা দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলোর মানসিকতা জানি; তাদের কাছে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলাটাই আসল পরীক্ষা। এটা বিরল একটা সুযোগ, তবে আর্জেন্টিনা অজেয় নয়। অবশ্যই আমরা তাদেরকে হারানোর চেষ্টা করব।’
এদিকে সুইসদের তারকা ফুটবলার রিকার্দো রদ্রিগেজ অবশ্য মেসিদের সমীহ করেই খেলার পরামর্শ দিলেন, ‘আর্জেন্টিনা একটি অসাধারণ দল। তাদের খুব শক্তিশালী খেলোয়াড় এবং দুর্দান্ত একজন কোচ আছেন। আমরা জানি তারা কেমন খেলে। তাদের দলে মেসির মতো সেরা খেলোয়াড় রয়েছে। আমরা প্রতিপক্ষকে সমীহ করেই মাঠে নামতে চাই।’




