আতলেতিকো না ছাড়লে বিদ্রোহের হুমকি আলভারেসের!

হুলিয়ান আলভারেস সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। আতলেতিকো মাদ্রিদ ছাড়তে চান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ক্লাব ছাড়ার বিষয়ে কোচ দিয়েগো সিমিওনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তার সহযোগিতা চেয়েছিলেন আলভারেজ। কিন্তু সিমিওনের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনার সুযোগ না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। স্পোর্টস সিটিতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন আর দলের হয়ে কাজ করবেন না আলভারেস। তাকে যেন আর কোনো পরিকল্পনার মধ্যে না রাখা হয়।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৬ বছর বয়সী আলভারেস সিমিওনের সঙ্গে কথা বলতে না পেরে ক্ষুব্ধ হন। আতলেতিকো ছাড়ার পথ তৈরি করতে কোচের সহযোগিতা চেয়েছিলেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে আসছেন আলভারেস। সর্বশেষ বিশ্বকাপেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন তিনি।

আলভারেসের পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে বার্সেলোনাই তার প্রথম পছন্দ। ছুটি শেষে ক্লাবে এসে তিনি দেখতে পান সিমিওনে দুই দিনের ছুটি কাটাতে ইবিজায় চলে গেছেন। ক্লাবের প্রধান নির্বাহী মিগেল আনহেল গিল মারিনও ছুটিতে থাকায় তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়নি। এরপর উপস্থিত ব্যক্তিদের আলভারেস জানিয়ে দেন নিজের অবস্থান থেকে তিনি একচুলও সরবেন না। এছাড়া তাকে কেন্দ্র করে যেন আর পরিকল্পনা না করা হয়।

মুন্দো দেপোর্তিভোর দাবি, আলভারেসের দৃষ্টিতে সিমিওনে পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার মতো সাহস দেখাননি। আলভারেস যে তার সঙ্গে কথা বলে চলমান সমস্যা সমাধান করতে চান সেটি সিমিওনের ভালোভাবেই জানা ছিল। তারপরও তিনি তার সঙ্গে আলোচনায় বসেননি।

বিষয়টি হতাশ করেছে আলভারেসকে। অথচ আলভারেজের আজ ক্লাবে আসা এবং কোচের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবারই জানা ছিল।

এই পরিস্থিতি সমাধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতেন গিল মারিনও। কিন্তু তিনিও ছুটিতে থাকায় আলভারেসের সঙ্গে তার কথা বলার সুযোগ হয়নি। ফলে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের।

এর আগে মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছিল, আলভারেস আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতির সমাধান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সেই সুযোগই দেওয়া হয়নি।

শেষ পর্যন্ত ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে আলভারেসের। উপস্থিত ব্যক্তিদের তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাকে ধরে কোনো পরিকল্পনা করবেন না।’ একই সঙ্গে নিজের অবস্থান থেকে সরে না আসার কথাও স্পষ্ট করেন তিনি।

দুদিন পর থেকে নিজের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারেন আলভারেস। সেদিনই সিমিওনের দলের অনুশীলনে ফেরার কথা। তখন আলভারেসের সঙ্গে কথা না বলার আর কোনো অজুহাত থাকবে না কোচের।

Scroll to Top