যাঁদের জন্ম ১৯৮০-১৯৯০ দশকে, তাঁদের বেশির ভাগ মানুষই এখন মা–বাবা। নিজে যেমন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন, তেমনি তাঁদের সন্তানেরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আছেন। মা–বাবা ও অভিভাবক হিসেবে তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। আমেরিকার একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী জেনিফার ঝু স্কট। শিশুদের মুঠোফোন নিয়ে তাঁর একটি টেড টক ৩০ লাখের বেশি মানুষ দেখেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, মা–বাবা হিসেবে সন্তানের ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে উন্মুক্তভাবে শেয়ার করা যাবে না। গোপন আইডিতে প্রকাশ করলেও এসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মালিকানায় চলে যায়। এ ছাড়া আপনার অজান্তেই আপনার শিশুর ছবি বা তথ্যাদির স্ক্রিনশট অন্যরা নিতে পারে। আপনার শিশুরা যখন প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখন তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন, তারা কী শেয়ার করবে।’
কোনো জায়গা সমন্ধে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রেও সঠিক তথ্য ও ঠিকানা দিতে চেষ্টা করুন। অনেকেই আজকাল অনলাইনের ভুল তথ্যে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।



